মস্তিষ্কের ক্ষতি হয় যেসব অভ্যাস

মস্তিষ্ক সুস্থ না থাকলে কোন কিছুই করা সম্ভব না।স্বাস্থ্যের মতো মস্তিস্কেরও যত্নের প্রয়োজন।এমন কিছু অভ্যাস আছে যেগুলো মস্তিষ্কের সেল নষ্ট করে দেয়। সেই সঙ্গে হতাশা, আলঝাইমার, স্ট্রোক, মৃগী রোগ এবং ক্যান্সারের মতো জটিলতা তৈরি করে। মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে যে সব কাজ করা ঠিক নয়-

সকালের নাস্তা না খাওয়া : সকালের নাস্তা দিনের খাবারের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ । সকালের নাস্তা না খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যায়। এতে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে মস্তিষ্ক সবচেয়ে বেশি শক্তি ক্ষয় করে। এ কারণে শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ কমে গেলে মস্তিষ্কের শক্তিও কমে যায়।

অপর্যাপ্ত ঘুম : ঘুম ভাল না হলে শরীর ক্লান্ত লাগে। সেই সঙ্গে পরেরদিন অনেক কিছুই বারবার ভুল হয়ে যায়। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে মস্তিষ্ক ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। এতে দৈনন্দিন কাজ ও সম্পর্কের উপর প্রভাব পড়ে।

অতিরিক্ত খাওয়া : গবেষণায় দেখা গেছে, স্থূলতা ও ডিমেনশিয়ার মধ্যে গভীর সংযোগ রয়েছে। যদিও কারণটি স্পষ্ট নয়। তারপরও গবেষকরা ধারণা করছেন, হূলতা তখনই হয় যখন শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়। শরীরে ভিটামিন ও খনিজের অভাব হলে বারবার ক্ষিধে পায়। তখন অতিরিক্ত খেলেও মস্তিষ্কের কোন উপকার হয় না।

ধূমপান : একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপান শরীরের পাশাপাশি মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।

পানি শূন্যতা : মানবদেহে শতকরা ৭০ ভাগ পানি থাকে। এ কারণে শরীরে পানির ঘাটতি হলে শরীরের পাশাপাশি মস্তিষ্কও কার্যকারিতা হারায়। মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত।

অতিরিক্ত চিনি খাওয়া : শরীর ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য চিনি প্রয়োজন। তবে আজকাল সব ধরনের খাবারেই অতিরিক্ত চিনি থাকে। নিয়মিত অতিরিক্ত চিনি খেলে মস্তিষ্কের সেলের উপর প্রভাব ফেলে। এতে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মানসিক চাপ : মানসিক চাপ গোটা শরীরের উপর প্রভাব ফেলে। পরিস্থিতির কারণে মানসিক চাপ হতেই পারে। তবে মানসিক চাপটা যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে তাহলে তা দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি করবে শরীর ও মস্তিষ্কের।

সূত্র: এইচএইচডিরিসার্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Pin It on Pinterest

সংস্করণ