ঘুষখোর-ভোটচোর নিপাত যাক

ঘুষ-দুর্নীতি একটি পুরনো ব্যাধি। তা এখন মহামারীতে পর্যবসিত হয়েছে। বাদশাহী আমলের গল্প-কবিতা-কেতাবে ঘুষ-দুর্নীতির ঘটনার নজির খুঁজে পাওয়া যায়। ব্রিটিশ আমলে ঘুষ-দুর্নীতির কারবারকে ঔপনিবেশিক শাসন পরিচালনার একটি প্রয়োজনীয় উপাদানে পরিণত করা হয়েছিল।

চাকরির উমেদারি করতে বড় সাহেবকে ‘ভেট’ পাঠানোটি রেওয়াজে পরিণত হয়েছিল। কোম্পানির শাসক কাইভ, হেস্টিংস প্রমুখের পর্বতপ্রমাণ সব ঘুষ-দুর্নীতির কথা ইতিহাসে সুবিদিত।

ঘুষের কারবারে এখন বৈচিত্র্য, প্রসার ও ‘উন্নয়ন’ ঘটেছে। চতুর্দিকে এখন সিট-বাণিজ্য, ভর্তি-বাণিজ্য, ফুটপাত-বাণিজ্য, টার্মিনাল-বাণিজ্য, ইজারা-বাণিজ্য, টেন্ডার-বাণিজ্য, তদবির-বাণিজ্য ইত্যাদির রমরমা কারবার। রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলে চলছে পদায়ন-বাণিজ্য, মনোনয়ন-বাণিজ্য, ভোট ব্যবসা ইত্যাদি। প্রশাসনে জেঁকে বসেছে নিয়োগ-বাণিজ্য, প্রমোশন-বাণিজ্য, পোস্টিং-বাণিজ্য, বদলি-বাণিজ্য, সিআর-বাণিজ্য ইত্যাদি। কোথায় নেই ঘুষ-দুর্নীতির রমরমা কারবার?

ঘুষ-দুর্নীতিকে আবার নানা নামের বাহার দিয়ে ঘোমটা পরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এ দেশে কোনো ঘুষ নেই। যাকে ঘুষ বলা হয় তা আসলে হলো, কোনো একটি কাজ তাড়াতাড়ি করে দেওয়ার জন্য ‘স্পিড মানির’ লেনদেন। তৃণমূলের ঘুষ-দুর্নীতিকে চা-নাস্তার খরচ, খুশি করার জন্য ব্যয় ইত্যাদি বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে।

দেশি-বিদেশি বিশাল কোম্পানি-করপোরেশন ও মন্ত্রী-সচিব উপদেষ্টাদের ক্ষেত্রে ঘুষের এসব কারবারকেই লবিস্ট বাবদ ব্যয়, কমিশন বাবদ খরচ, অতিরিক্ত ব্যয়, গণসংযোগ বাবদ ব্যয় ইত্যাদি বলে আখ্যায়িত করা হয়। ওপরতলার দুর্নীতির সাক্ষ্য আরও পাওয়া যায় এ কথা থেকে যে, হাল আমলে সব সরকারের সময়েই বেশকিছু মন্ত্রী-মিনিস্টার-কর্মকর্তার নামের সঙ্গে ‘মিস্টার টেন পার্সেন্ট’ ধরনের লেবেল যুক্ত হয়ে পড়ে। সরকার আসে-যায়, রেজিম চেঞ্জ ঘটে কিন্তু ‘মিস্টার টেন পার্সেন্ট’ওয়ালারা বহাল তবিয়তেই থেকে যায়। তাদের চেহারা ও পরিচয় বদল হয় মাত্র।

নিচেরতলার খুদে ঘুষ-দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ-অনুযোগ বহুদিনের। সেসব নিয়ে অনেক রকমের কেচ্ছা-কাহিনি-গপ্পো বহুদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে। এ ধরনের একটির কথা বলি।

গ্রামের এক কৃষকের বাড়িতে চুরি হয়েছে। গৃহস্থ গেলেন থানায় এজাহার দিতে। দারোগা সাহেব তাকে বললেন, ‘এজাহার তো নিব, কিন্তু এ জন্য তো কিছু টাকা ছাড়তে হবে। একশ টাকা দে! তুই গরিব মানুষ, তাই তোর কাজ কমেই করে দিব।’ কৃষক বলল, ‘দারোগা সাহেব এত টাকা কোথায় পাব? টাকা তো নেই।’ দারোগা বললেন, ‘এ কেমন কথা? একশ টাকা দিতে পারবি না, তা হলে এজাহার লিখব কীভাবে? ঠিক আছে, পঞ্চাশ টাকা দে।’ কৃষক বলল, ‘দারোগা সাহেব পঞ্চাশ টাকাও তো নেই।’ দারোগা বললেন, ‘চোপ ব্যাটা! আচ্ছা ঠিক আছে। দে, তা হলে দশ টাকাই দে, এজাহার লিখে নিচ্ছি।’

কৃষকের কাছে সেই টাকাও নেই জানতে পেরে দারোগা বললেন, ‘হারামজাদা! গরিব মানুষ! ঠিক আছে, একটা সিগারেট এনে দে!’ কৃষক তখন বলল, ‘হুজুর! আমার কাছে যে একটা পয়সাও নাই। সিগারেট এনে দিব কি দিয়ে।’ হতাশ ও বিরক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত দারোগা কৃষককে বলল, ‘ব্যাটা কিছু না নিয়ে কি এজাহার লেখা যায়? কিছু একটা তো তোকে দিতেই হবে।’ দারোগা সাহেব তার পিঠের কাপড় ওপরে তুলে ধরে কৃষককে বললেন, ‘ঠিক আছে। অন্য কিছুই যখন দিতে পারবিই না, তা হলে দে, অন্তত পিঠটা না হয় চুলকিয়ে দে!’

মেয়ের জন্য সুপাত্রের খোঁজ নেওয়ার সময় অন্যান্য নানা বিষয়ের সঙ্গে প্রস্তাবিত পাত্রের বেতনের খোঁজের চেয়ে আরও বেশি আগ্রহ নিয়ে ‘উপরি পাওনা কত’ তার খবর যে আগে নেওয়া হয়, সেসব চুটকি-গল্প বহুদিন ধরেই মুখে মুখে প্রচলিত। শুধু সরকারি কর্মচারীই নয়, উকিল সাহেবরা মৃত্যুর সময় আইন পেশায় আসা ছেলের জন্য কতগুলো মামলা ঝুলিয়ে রেখে উত্তরাধিকারসূত্রে হস্তান্তর করে যেতে সক্ষম হলেন, সওদাগরি অফিসে চাকরি করে কে কীভাবে কত টাকা হাতিয়ে নিতে পারল- এসব গল্প প্রচলিত আছে মুখে মুখে।

কিন্তু ঘুষ-দুর্নীতির এসব ঘটনা এক সময় ছিল ব্যতিক্রম। সততাই ছিল নিয়ম। যারা ঘুষ-দুর্নীতিতে লিপ্ত থাকত, তারা তা করত সংগোপনে। আড়ালে, আবডালে, লুকিয়ে। ঘুষ-দুর্নীতিতে লিপ্ত থাকাটা ছিলÑ সমাজে মুখ দেখানো যায় না, এমন একটি গুরুতর অপরাধ ও লজ্জাবোধের বিষয়। একটি সামাজিক তিরস্কারের বিষয়। সিনেমার নায়ক কখনই ঘুষ-দুর্নীতিতে লিপ্ত রয়েছে বলে চিত্রায়িত হতো না। ঘুষ-দুর্নীতির কাজ হলো ভিলেনের তথা খলনায়কের চরিত্রের সঙ্গে জড়িত বিষয়। কিন্তু এখন বুক ফুলিয়ে ঘুষ-দুর্নীতির কারবার চলে। ঘুষখোররা তা নিয়ে বাহাদুরিও করে বেড়ায়।

‘দুর্নীতি’ সম্পর্কে কিছু মহল এমন একটি ভ্রান্ত ধারণা প্রচার করে থাকে যে, ‘দুর্নীতি’র বিষয়টি হলো একটি রাজনৈতিক, রাষ্ট্রক্ষমতা সম্পৃক্ত এবং একান্তভাবেই অর্থ সম্পর্কিত ব্যাপার। ব্যবসায়ী নেতারা বলতে ভালোবাসেন যে, ব্যবসাতে সবকিছুই হলো লাভ-লোকসানের ব্যাপার। সেখানে দুর্নীতির বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিক। দুর্নীতি খুঁজতে হবে রাজনীতিতে, ব্যবসায় তার খোঁজ পাওয়া যাবে না।

এসব কথা যুক্তিগ্রাহ্য নয়। তা প্রথমত এ কারণে যে, বুর্জোয়া ধারার প্রধান দুটি দল দ্বারা রাজনীতি ও ব্যবসা এ দুটিকে এখন একাকার করে ফেলা হয়েছে। বাজার-অর্থনীতি, বাজার-রাজনীতির জন্ম দিয়েছে। রাজনীতিবিদরা ব্যবসায়ী এবং ব্যবসায়ীরা রাজনীতিবিদ হয়ে উঠেছে। আমলাতন্ত্রের বড় বাবু থেকে শুরু করে ওপরতলার অনেকেই কোনো না কোনোভাবে ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন অথবা ভবিষ্যতে হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঘুষ-দুর্নীতি এখন সর্বত্র বিস্তৃত।

ঘুষ ছাড়াও দুর্নীতির আরও অনেক রূপ আছে। এমনকি যথেষ্ট যুক্তি দিয়ে এ কথাও প্রমাণ করা যায় যে, ব্যক্তিগত পুঁজির সহযোগে মালিক যে মুনাফা পকেটস্থ করে, প্রকৃতভাবে তা হলো শ্রমিকের শ্রমশক্তি দ্বারা সৃষ্ট উদ্বৃত্ত মূল্যের অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করা অংশ। পুঁজিবাদের মর্মকথা হলো শোষণ। তাই পুঁজিবাদে মুনাফার বিষয়টি হলো চূড়ান্ত বিবেচনায় সবচেয়ে বড় ‘দুর্নীতি’।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ঘুষ-দুর্নীতি-লুটপাট অবশ্যম্ভাবীভাবে রাজনীতিতে দুর্নীতি-অনাচার-দুঃশাসনের আবির্ভাব ঘটায়। রাষ্ট্রক্ষমতা হয়ে ওঠে লুটপাটের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সম্পদ বাড়ানোর একটি মাধ্যমে। লুটেরা শ্রেণির মধ্যে লুটপাটের ভাগবাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয় গোষ্ঠী-দ্বন্দ্ব। বুর্জোয়া ধারার রাজনীতি এখন যেনতেন উপায়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার আদর্শবর্জিত নিছক ক্ষমতার নোংরা খেলায় পরিণত হয়েছে। গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক অধিকার খর্বিত হয়ে চলেছে। নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হয়েছে। রাজনীতির নামে চলছে দুপক্ষের প্রতারণা-জোচ্চুরির প্রতিযোগতা। এভাবে জনগণের ‘ভাতের’ অধিকারের সঙ্গে সঙ্গে শাসকগোষ্ঠীর হাতে চুরি হয়ে যায় জনগণের ‘ভোটের’ অধিকারও।

ঘুষ-দুর্নীতি-লুটপাটের মাধ্যমে শাসকগোষ্ঠী জনগণকে তার ‘ভাতের’ অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। সেই একই শাসকগোষ্ঠী তার ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার স্বার্থে জনগণের ‘ভোটের’ও ‘অধিকার’ কেড়ে নিচ্ছে। ‘ঘুষখোরদেরই’ (অর্থাৎ লুটপাটকারীদেরই) লুটপাটের স্বার্থে ক্ষমতাপাগল হয়ে যেনতেন উপায়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকার জন্য ‘ভোটচোরে’ পরিণত হতে হচ্ছে। ‘ঘুষখোর’ ও ‘ভোটচোর’ এভাবে এখন পরিণত হয়েছে টাকার এপিঠ-ওপিঠে।

দুর্নীতি সম্পর্কে বলা হয় যে, ‘ক্ষমতা দুর্নীতির জন্ম দেয়, আর নিরঙ্কুশ ক্ষমতা নিরঙ্কুশ দুর্নীতির পথ করে দেয়।’ অর্থাৎ ‘ক্ষমতা’ই হলো দুর্নীতির উৎস। রাজনৈতিক-রাষ্ট্রীয়-প্রশাসনিক ক্ষমতা যেমন ‘ক্ষমতার’ একটি রূপ, তেমনি অর্থনৈতিক ক্ষমতাও ‘ক্ষমতার’ আরেকটি রূপ। তা ছাড়া যা কিনা আইনসঙ্গত, তা যে সব সময় ন্যায়নীতিসম্মত হবেÑ তেমন কথা মোটেও ঠিক নয়। আইন মেনে করা কাজও দুর্নীতিমূলক হতে পারে। আইনসঙ্গত ব্যবসার ক্ষেত্রেও ‘দুর্নীতি’ ঘটতে পারে। সমাজের ‘ওপরতলার’ মানুষ কর ফাঁকি দেওয়া, আন্ডার ইনভয়েসিং, ওভার ইনভয়েসিং, চোরাকারবার, খেলাপি ঋণ, মানি লন্ডারিং ইত্যাদিসহ বিভিন্ন নীতিবর্জিত পথে গোটা দেশের সম্পদ ও স্বার্থ বেচে দিচ্ছে। তৃণমূলের খুদে দুর্নীতির তুলনায় এসব হলো ‘মহাদুর্নীতি’। ঘুষ-দুর্নীতি-লুটপাটের এসব রাঘববোয়ালই ‘ভোট-চুরি’ করে হলেও ক্ষমতায় থাকতে মরিয়া। কারণ ক্ষমতায় না থাকতে পারলে তারা জনগণের ‘ভাত-চুরি’ করবে কীভাবে?

কয়েক বছর আগে পত্রিকায় প্রকাশিত এক খবরের মাধ্যমে জানা গিয়েছিল, সরকারদলীয় একজন সংসদ সদস্য কোনো এক ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেবেন বলে তার কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছিলেন। কিন্তু ঘুষ নিয়েও সেই ব্যক্তিকে তিনি চাকরি দেননি। ঘুষ হিসেবে নেওয়া টাকাও এমপি মহোদয় সেই ব্যক্তিটিকে ফেরত দেননি। খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছিল, অন্য একজনের কাছ থেকে আরও বেশি টাকা পাওয়ায় তাকেই তিনি চাকরিটা দিয়েছিলেন। ব্যাপারটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ‘ঘুষের মধ্যেও দুর্নীতি ঢুকে পড়ার’ মতো ঘটনা। মানুষ যাবে কোথায়?

অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুসারে দেশে অবৈধ ‘কালো অর্থনীতির’ মোট পরিমাণ জাতীয় আয়ের ৮০ শতাংশ। দেশের দৃশ্যমান অর্থনীতির বড় অংশ হলো কোনো না কোনো ধরনের ‘দুর্নীতির’ প্রক্রিয়ার ফসল। তার সঙ্গে যদি এই কালো অর্থনীতির গোটা পরিমাণ যোগ করা হয় তা হলে এ কথা কোনোভাবে অস্বীকার করার উপায় থাকে না যে, দেশ আজ ‘ঘুষখোর ও লুটেরাদের’ দখলে চলে গেছে। ‘ঘুষখোর ও লুটেরাদের’ এই দখল বজায় রাখার জন্য দেশের রাজনীতিতে তাই এখন ‘ভোটচোরের’ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

‘পুঁজিবাদী বাজার অর্থনীতি’ ‘বাজার রাজনীতির’ জন্ম দিয়েছে। সমাজের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে ‘বাজারি সংস্কৃতি’। সবকিছুকেই দেনা-পাওনার বাজারি মানদ-ে বিবেচনা করা, টাকার লোভ, আত্মকেন্দ্রিকতা, স্বার্থপরতা, প্রদর্শনবাদ, ভোগবাদ ইত্যাদি রোগ সমাজদেহে দানা বেঁধে সমাজের প্রাণশক্তিকে দহন করে তাকে আজ ধ্বংস করতে উদ্যত হয়েছে। দ্রব্যমূল্য, ভেজাল, দূষণ, মাদকাসক্তি, নৈতিক অবক্ষয়, অভাবনীয়সংখ্যক সব মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, অপরাধমূলক কাজকর্ম ইত্যাদি সব ক্ষেত্রেই শনৈঃশনৈ ‘উন্নতি’ হচ্ছে। সমানতালে ‘উন্নতি’ ঘটছে ‘ঘুষখোরদের’ ও ‘ভোটচোরদের’। এসব ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নতির (!) ঠেলায় আজ মানুষের সামাজিক জীবন ওষ্ঠাগত।

এই ‘পশ্চাৎমুখী অভিযাত্রার’ যুগের অবসান ঘটাতে হলে ‘ঘুষখোর’ ও ‘ভোটচোরের’ রাজত্বের অবসান ঘটাতে হবে। লুটপাটের অর্থনৈতিক-সামাজিক নীতি-ব্যবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে। ‘ঘুষখোর ও ভোটচোরের’ দুটি শিবিরের মধ্যে ‘মন্দের ভালো’র পেছনে দৌড়িয়ে লাভ হবে না। দেশকে ‘অগ্রমুখী অভিযাত্রার’ ট্র্যাকে নিয়ে আসার জন্য নবশক্তির অভ্যুদয় ঘটাতে হবে।

লেখক : মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

সভাপতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি

 

সূত্র : দৈনিক আমাদের সময়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Pin It on Pinterest

সংস্করণ