রাজনৈতিক সরকার, রাজনৈতিক সমাজ

একাত্তরের আলোয় দাঁড়িয়ে আগামীর স্বপ্নের বাংলাদেশ থেকে আমরা কতটা দূরে? প্রথম কথা হচ্ছে, একাত্তরের পুরো মুক্তিযুদ্ধের সময়টা আমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল। কিন্তু সে সময়টা অন্ধকার হলেও আমাদের কাছে অন্ধকার মনে হয়নি। মানুষ যখন লড়াই করে, একটা দেশ যখন মুক্তির সংগ্রামে নেমে পড়ে, তখন আর অন্ধকারকে কেউ প্রশ্রয় দেয় না। বড় আশা সামনে রেখেই তারা এগোয়। এ জন্য একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বরের পরে আমি কি নতুন করে জন্ম নিলাম- এমন প্রশ্নই আমাদের মনে এসেছিল। মনে হয়েছিল, এবার বুঝি সব পেয়েছির দেশে এসে পৌঁছে গেছি। আমি কখনই দেশের মুক্তি বলতে দেশের জনসাধারণের কোনো অংশকে বুঝিনি, বুঝেছি সামগ্রিক মুক্তি, সমস্ত জনগণের মুক্তি। জনগণের কোনো অংশ যদি বাদ পড়ে, তাহলে আমি মনে করি, এটা হচ্ছে অসাফল্য বা স্বপ্নের খামতি। এখনও দেশের কল্যাণ বলতে আমি তাই মনে করি। কাজেই মনে হয়েছিল আমাদের গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ আমরা দিতে সক্ষম হবো।

কিন্তু গণতন্ত্র বললেই উদ্বাহু হয়ে নৃত্য করা যায় না। গণতন্ত্রের মূল লক্ষ্য যদি ঠিকমতো রাষ্ট্রে রূপায়িত না হয়, তাহলে সেই গণতন্ত্রের কোনো অর্থ হয় না। ‘৯০-পরবর্তী সময়কে আমরা গণতন্ত্র-মুক্তির পর্ব বলে ধরি। অথচ আমার মনে হয় না, ১৯৯০ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত আমরা গণতন্ত্রের মধ্যে কাটিয়েছি। গণতন্ত্রের সুবিধাগুলো ভোগ করেছে কারা? দেখা যাবে, এই গণতন্ত্র ভোগ করা থেকে দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ লোক বাদ পড়ে গেছে। গণতন্ত্রের ভিত্তিই অর্থনৈতিক মুক্তি, এটাকে বাদ দিয়ে গণতন্ত্র হয় না। সেই মুক্তি আমরা অর্জন করতে পারিনি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্যই ছিল পরিপূর্ণ একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করা। তখন সংবিধানে ‘গণতন্ত্র’ শব্দটা ব্যবহার না করে যে ‘সমাজতন্ত্র’ শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছিল, এটার ওপর আমরা অনেকেই বেশি জোর দিতাম। সমাজতন্ত্র বলতে স্লোগানের সমাজতন্ত্র বুঝিনি। সমাজতন্ত্র বলতে মনে করেছিলাম, এটা যদি ঠিকমতো বজায় থাকে, তাহলে আলাদা করে গণতন্ত্রের দরকার হয় না। মার্ক্সের দর্শনের ওপর নির্ভর করে পৃথিবীর যে কয়টি দেশে অল্প বিস্তর সমাজতন্ত্রের বিপ্লব সাধিত হয়েছিল- এসব দেশের দিকে যদি তাকিয়ে দেখি, তাহলে আমরা সমাজতন্ত্রকে একটু সীমিত করে ফেলব। কিন্তু ‘গণতন্ত্র’ শব্দটা যদি ওই একই অর্থে ব্যবহার করি, তাহলে আমাদের গণতন্ত্রেই কাজ চলে যাবে। কিন্তু দেখা গেল, আমরা কতটা বাগাড়ম্বর প্রধান, কত শব্দ ভালোবাসি, আমরা সংবিধানে তখন ভালো ভালো কথা লিখতে লিখতে ‘গণতন্ত্র’ লিখলাম, সমাজতন্ত্র লিখলাম, ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ লিখলাম, তার পর ‘জাতীয়তাবাদ’ও লিখলাম।

আমার মনে হয়, তখন লেখার একটা পটভূমি ছিল বটে। এগুলো কেন লিখতে হয়েছিল, পেছনের দিকে তাকালেই বুঝব। পাকিস্তানিদের ২৩ বছরের শাসনের দিকে তাকিয়েই বোঝা যায়, এগুলোর সন্নিবেশ প্রয়োজন। গণতন্ত্রের দরকার আছে এবং সমাজতন্ত্র ছাড়া তো আমাদের চলবেই না! আর ধর্মনিরপেক্ষতার কথা আলাদাভাবে ওঠে না। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধর্মনিরপেক্ষতা বাধ্যতামূলক, সেটা আবার লিখতে হবে কেন? বাঙালি জাতীয়তাবাদ বলতেই যে কী বুঝলাম, সেটা তখনও পরিষ্কার ছিল না, আজও ঠিক পরিষ্কার নয়। আমাদের সংবিধানে যে সংশোধনীগুলো হয়েছে, তাতে অনেককে আপত্তি করতে দেখি, অনেককে দুঃখ করতে দেখি আবার অনেককে রুখে দাঁড়াতেও দেখি। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে কাউকে কিছু বলতে শোনা যায় না। কারণ, এই ইস্যু নিয়ে সত্যি সত্যি ভাববার বা করবার কিছু নেই। আজকে পেছনের দিকে তাকিয়ে দেখি, যেটা বলবার দরকার নেই, সেটাও বলা হয়েছে। কিন্তু কী কারণে জিয়াউর রহমান সাহেবের আবার বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ উর্বর মস্তিষ্ক থেকে বের করা? বাঙালি জাতীয়তাবাদ আর বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মধ্যে সংঘাতটা কী? কী হলে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ হয়, কী হলে বাঙালি জাতীয়তাবাদ হয়, কে বলবে?

বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী মহল, শাসক মহল, ওপরের দিকে যে মহল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন, তাদের মধ্যে বেশ চমৎকারভাবে দুটি ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। এরা হচ্ছে- বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের লোক, আর এরা হচ্ছে বাঙালি জাতীয়তাবাদের লোক। কারও কিন্তু কোনো কিছু করার নেই। শেষ পর্যন্ত যেটা দাঁড়াল সেটা হচ্ছে, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদটাকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিপরীতে দাঁড় করানো হলো একটা সাম্প্রদায়িক জায়গা থেকে। সেটা ছিল সাংঘাতিক ক্ষতিকর। দুটির কোনোটারই প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিষয় যেটা দাঁড়াল, তখন দেখা গেল, এ ধরনের মনোভাবের তলায় আছে কদর্য সাম্প্রদায়িক বোধ। এই বিষয়টা আস্তে আস্তে স্পষ্ট হলো এবং আমরা সবাই ভালো করেই জানি, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রচার-প্রসারক যারা, তারা সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেও বিষয়টাকে আজও কীভাবে দেখে থাকেন। সেই জন্য আমার মনে হয় যে এটাও আমাদের আর একটা গোলমাল হয়ে গেল যে আমাদের নিজেদের ঘর, এই ঘরটাকেই পরিচ্ছন্ন করা গেল না।

আবার সেই একাত্তরের কথাই বলি। একটা মুক্ত জাতি হলাম, মানচিত্রে একটা নতুন সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা হলো, তারপর একটা সংবিধান তৈরি করলাম। যদি অর্জনের কথা বলি, তাহলে এর চেয়ে বড় অর্জন পৃথিবীর খুব কম জাতির আছে। তার পর ‘৭৫ সালে ক্ষমতার রদবদলটা রক্তপাতের মধ্য দিয়ে হলো। যদি রাজনৈতিক ভাষাতে কথাটা বলি তাহলে বলব, মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রথম ৫টি বছর কাটার আগেই পুরো অর্জনটাকে কবর দেওয়ার ব্যবস্থা হয়ে গেল এবং পরিস্কার বোঝা গেল, গায়ের জোরে রক্তপাতের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেওয়া হলো! ব্যস, নজির স্থাপন হয়ে গেল।

তার পর একাত্তরের পরাজিত শক্তিটাই ফিরে আসতে শুরু করল। সেই পাকিস্তানি ধরন। পাকিস্তানের ২৩ বছরের শাসনের মধ্যে একদিনের জন্যও আমরা গণতান্ত্রিক শাসন পাইনি। ‘৫২ সালে বিরাট ব্যাপার হলো সবাই জানেন, সে কথা বারবার বলার কোনো মানে হয় না। বিরাট একটা অর্জন ঘটল। তখন মনে হলো, মাথা উঁচু করে আকাশটাকে দেখতে পারি আমরা। ‘৫৪ সালে সাধারণ নির্বাচন হলো। ‘৫৪ সালে নির্বাচনে জয় ‘৫৪ সালেই শেষ। ‘৫৮ সালে মার্শাল ল’। ‘৬৮ সাল পর্যন্ত বহাল রইল। তার মানে পাকিস্তানের শাসনকালে একদিনের জন্যও মানুষ গণতন্ত্র ভোগ করতে পারল না। সেনাবাহিনীর হাত থেকে ক্ষমতাটা কিছুতেই বের হচ্ছিল না। এই যে ব্যাপারটা, এরই যেন ‘৭৫ সাল থেকে পুনরাবৃত্তি হতে শুরু করল। ক্ষমতা কোনোভাবেই সেনাবাহিনীর হাত থেকে যেতে দেওয়া ঠিক হবে না। ‘৯০ সাল পর্যন্ত ভালো করে দেশ চলুক আর খারাপ করেই চলুক, এই দেশটায় গণতান্ত্রিক অধিকার যে ছিল না, মানুষ যে ইচ্ছামতো তাদের প্রতিনিধিদের দিয়ে দেশটা শাসন করতে পারেনি, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

আরও একটা তিক্ত অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। ওই সময়ে একটার পর একটা সংশোধন হতে লাগল আমাদের সংবিধানে। আরও একটা বিষয় লক্ষ্য করা গেল, যারা স্বাধীনতা চায়নি, যারা বিরুদ্ধাচরণ করেছে এবং সেটা ইতিহাসে লিপিবদ্ধ আছে; তারা আস্তে আস্তে জুটতে শুরু করল, ধীরে ধীরে শক্তি অর্জন করতে শুরু করল। প্রথম যে ক্ষমতার হাতবদলটা হলো, এই ক্ষমতার হাতবদলের মধ্য দিয়েই এরা আস্তে আস্তে ভেতরে ঢুকে পড়ল। প্রায় ‘৯০ সাল পর্যন্ত গোকুলে বেড়ে উঠল যে সাম্প্রদায়িক শক্তি, পরবর্তী সময়ে সেই বিষবৃক্ষের ফল আস্তে আস্তে আমরা পেতে শুরু করি। এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি, জঙ্গিবাদ কী! এই দানবিক শক্তি আমাদের দেশের মধ্যে তৈরি হলো কীভাবে, এর ব্যাখ্যা-বিশ্নেষণ নতুন করে নিষ্প্রয়োজন। এক পর্যায়ে জঙ্গিবাদ পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এই অবস্থায় গণতন্ত্রের লড়াইটা আশির দশক থেকে বেশ ভালোই চলছিল। দেশের লোক সাড়া দিয়েছে।

দেশের মানুষ কিন্তু কখনও কোনো অবস্থাতেই পিছপাও হয়নি। কখনও ব্যর্থ হয়েছে নেতৃত্ব, কখনও রাজনীতি। মানুষ নয়, না ‘৫২-এ, না ‘৬২, ‘৬৯ বা ‘৭১-এ, কোনো সময়েই নয়। ‘৭৫ সালে যখন রক্তপাতের ভেতর দিয়ে ক্ষমতা সবলেই গণতন্ত্রের হাত থেকে ছুটে গেল, তখন জনগণ বিমূঢ় হয়ে পড়ল। জনগণ প্রচণ্ড শক্তি বটে, জনগণ শেষ শক্তি, জনগণ চূড়ান্ত শক্তি: তবে সেটা তো একদিক দিয়ে অপ্রস্তুত এবং ছড়ানো, তাকে সংগঠিত করার ব্যাপার আছে। অসংগঠিত জনগণের শক্তি কখনও বোঝা যায় না। এরশাদের সময়ের আন্দোলন জনগণের অংশগ্রহণের ফলেই অনেকটা সফল হয়েছিল। ‘৯০ সালে প্রায় ‘৭১ সালের মতো করে আমরা ভেবেছি, দেশটি ঠিক রেল থেকে ছুটে গিয়েছিল, এখন রেলের ওপর আবার ঠিকমতো স্থাপন করব।

পঁচাত্তর-পরবর্তী সময়ে শাসনটা জনগণের জন্য না করে নিজেরা নিজেদের জন্য করায় আমাদের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় তৈরি হয়েছে; কিন্তু সেই রকম অর্থে শিল্পগোষ্ঠী তৈরি হয়নি। দেশে যে যেভাবে উৎপাদন করতে পারছেন সম্পত্তির ব্যবহার করে, তাতে তারাই বড়লোক হচ্ছেন। এনজিওদের কথা কী বলব। গবেষণার কাজ বলি, শাসনের কাজ বলি, প্রায় সবই এনজিও করছে। এসব কাজ তো এনজিওগুলোর করার কথা নয়। রাষ্ট্রের কাজ কী? আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন কোনো রাষ্ট্র বাইরের অর্থ দিয়ে নিজেদের এসব কাজ করাবে না। দেশে নানা রকমের যে প্রতিষ্ঠান, সেগুলোয় আমাদের কোনো লাভ নেই, সেগুলোর মূল লাভটা বাইরের, সেখানে আমাদের সন্তানরা কাজকর্ম করছে। এই পরিস্থিতি কীভাবে দূষিত করেছে অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক অবস্থাকে, তার প্রতিফলন শিল্পে-সাহিত্যেও দেখা যাচ্ছে। একটা প্রজন্ম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মাদক, অপরাজনীতির বিরূপ প্রভাবে এরা পথহারা হওয়ায় আমাদের সর্বনাশের পথটা চওড়া হয়েছে, যা ভাবলে আতঙ্ক হয়।

এ থেকে পরিত্রাণের পথ কী? তত্ত্বাবধায়ক কিংবা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে আমাদের রাজনৈতিক সরকার গঠনের পথ খোঁজা হয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এই পথ সম্মানজনক কিনা, এমন প্রশ্ন নতুন নয়। একটা কথা অবশ্যই মনে রাখা দরকার যে, রাজনৈতিক সরকার ও রাজনৈতিক সমাজের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের অবাধ

সম্পৃক্তি ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো ব্যবস্থাই আজকের বিশ্বের ধাত নয়। আমাদের সেই ধাতটা মাঝেমধ্যেই নড়বড়ে হয়ে পড়ে যেন। এর জন্য দায়ী হলো মোটা দাগে বলা যায়, রাজনীতি ও নেতৃত্ব। আবারও সেই একই কথা বলতে হয়, কখনও ব্যর্থ হয়েছে রাজনীতি, কখনও-বা নেতৃত্ব। কিন্তু এর পরও এটিই বলতে হচ্ছে, রাজনীতির মধ্য দিয়েই সংকট মুক্তির পথ খুঁজতে হবে। রাজনীতির দোষত্রুটি রাজনীতির মধ্য দিয়েই সংশোধন করতে হবে। রাজনীতিকে ফিরিয়ে আনতে হবে সুস্থ ধারায়।

যতই বলা হোক এ দেশের রাজনীতি নষ্ট হয়ে গেছে, কোনো কোনো রাজনীতিবিদ নষ্ট হয়ে গেছেন, তারা নিজেরা দুর্নীতিগ্রস্ত, তাদের অনেকের দুস্কর্মে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান দুর্নীতিতে ঝাঁঝরা- তবুও বলতে হবে, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের বিকল্প কখনোই কোনো অনির্বাচিত সরকার নয়। হ্যা, এটা অসত্য নয় যে, কোনো কোনো রাজনীতিক পথহারা হয়েছেন; কিন্তু সৎ, প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রাজনীতিক, নীতিনিষ্ঠ রাজনীতিক এখনও আছেন, এও তো সত্য। যে কোনো ধরনের এককেন্দ্রিক শাসন, নিবর্তনমূলক স্বৈরতন্ত্র বর্তমান বিশ্বের কোথাও প্রশ্রয় পাবে না। এত বিপর্যয়, এত তিক্ত অভিজ্ঞতার পরও আমরা সামনের দিকেই চেয়ে আছি। এমন প্রেক্ষাপটে বলতে হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধই তো বারবার।

লেখক : হাসান আজিজুল হক

কথাসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ

 

সূত্র : সমকাল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Pin It on Pinterest

সংস্করণ